আপনি কেন অফিসের একজন অযোগ্য কর্মী?

প্রতিষ্ঠানের কিছু কর্মী যেমন অন্য কর্মীদের তুলনায় ভালোভাবে কর্মপরিবেশে মানিয়ে চলতে পারেন তেমনটা সবাই পারেন না। এর পেছনে রয়েছে কিছু আচরণ। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু লক্ষণ।

সময় না মানা
কর্মক্ষেত্রে আমাদের নানা কাজে প্রতিনিয়ত সময় মেনে চলতে হয়। আর কর্মক্ষেত্রে সময় মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি প্রতিদিন কাজে যোগদান করতে দেরি করেন তাহলে তা আপনার ভাবমূর্তি নষ্ট করবে। এটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আপনার গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়।

সব সময় অজুহাত তৈরি
কোনো কাজে অপারগ হলেই অজুহাত তৈরি করেন তাহলে তা আপনার ভাবমূর্তি নষ্ট করবে। আপনি যদি কাজ করতে না চান তাহলে তা প্রতিষ্ঠান বুঝতে পারবেই। আর এক্ষেত্রে অজুহাতের কোনো স্থান নেই।

সর্বনিম্ন কাজ করা
আপনার যদি লক্ষ্য থাকে সবচেয়ে কম কাজ করে কোনোভাবে কাজের সময়টি পার করে দেওয়া তাহলে ভুল করবেন। কারণ এ নীতি অবলম্বন করলে আপনি প্রতিষ্ঠানের অযোগ্য কর্মী হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন।

পরচর্চায় ব্যস্ত থাকা
কর্মক্ষেত্রে অন্যের যাবতীয় নেতিবাচক খবরের উৎস হয়ে ওঠা মোটেই উচিত নয়। আপনার যদি অন্যের ব্যাপারে মাত্রাতিরিক্ত উৎসাহ থাকে তাহলে তার সঙ্গেই আলাপ করুন। কারো সম্পর্কে আড়ালে কথাবার্তা বললে তা এক পর্যায়ে ঠিকই সে ব্যক্তির কানে পৌঁছাবে, যা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য ক্ষতিকর।

নিজেকে সবচেয়ে স্মার্ট মনে করা
আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে নিজেকে সবচেয়ে স্মার্ট মানুষ বলে মনে করেন তাহলে তা অন্য কর্মীদের বিব্রত করবে এবং আরও বহু সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিশ্বাস না করা
আপনি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জেনে রাখা ও তা মেনে চলা আপনার দায়িত্ব। কিন্তু আপনি যদি তা না মানেন এবং ক্রমাগত সে বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেন তাহলে তা সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সহকর্মীদের তুলনায় কম উৎপাদনশীল
আপনি যদি সহকর্মীদের তুলনায় সবচেয়ে কম কাজ করেন এবং আপনার উৎপাদনশীলতা সবচেয়ে কম হয় তাহলে তা আপনাকে অন্যদের থেকে অনেকাংশে পিছিয়ে রাখবে।

সহকর্মীদের সঙ্গে মানিয়ে না চলা
কাজের সময় টিমওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে অন্যদের সঙ্গে মানিয়ে না চলেন তাহলে তাতে কাজের অসুবিধা হবে এবং সহকর্মীরা আপনাকে অসহযোগিতামূলক বলে মনে করবে। আর এ কারণে আপনি কর্মক্ষেত্রে অসামাজিক হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারেন। এটি আপনার কর্মক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে।

ক্রমাগত দুঃখ প্রকাশ
আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে ক্রমাগত ভুল করেন এবং সেজন্য ক্রমাগত দুঃখ প্রকাশ করেন তাহলে তা মোটেই আপনার ভালো ভাবমূর্তি তৈরি করবে না। এটি আপনার অপেশাদার আচরণকেই বরং প্রকাশ করবে।

ক্রমাগত অভিযোগ করা
সহকর্মীদের দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করা অনেকেরই প্রিয় বিষয়। যদিও এটি অযোগ্য কর্মীদের একটি লক্ষণ। সারাক্ষণ অভিযোগ করলে আপনি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন বলে ধরে নেবে সবাই। এটি আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা গড়ে তুলবে।

সব সময় বের হওয়ার চেষ্টা
কর্মক্ষেত্রে কাজগুলো ভালোভাবে শেষ করার চেষ্টাই হওয়া উচিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু আপনি যদি তা না করে সব সময় অফিসের সময়টি পার করে দিয়ে সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে তা হবে অপেশাদার চিন্তা।

নির্দিষ্ট লক্ষ্যের অভাব
প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকা বাঞ্চনীয়। আর আপনার যদি কর্মক্ষেত্রে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য না থাকে তাহলে তা সামনে এগিয়ে নেওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। আর এ কারণে আপনা ক্যারিয়ার জীবনও স্থবির হয়ে পড়তে পারে।

সুত্রঃ কালেরকন্ঠ অনলাইন

< //

Leave your thought

Archives

Categories

Uttarajobs.com

image

Contact Us

Uttarajobs.com
House- #125, Ranavola Road
Sector- 10, Uttara Model Town
Dhaka- 1230, Bangladesh

Phone: +8801712263896
Email: info@uttarajobs.com

NEWSLETTER